ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭শে জুন, ২০১৯ ইং, ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগের বিশেষ প্রকাশনা বই প্রদান «» দেবহাটায় ছাত্রলীগের দুই গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষ ধাওয়া-পালটা ধাওয়া: আহত-২ «» ঝিনাইদহে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী «» হিন্দু ধর্মীয় প্রাইভেট শিক্ষককে গ্রেফতার «» ঝিনাইদহে শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে করনীয় বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা «» কুড়িগ্রামে মাদক ও পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত «» দিনাজপুরে স্তন ও জরায়ূ ক্যান্সার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত «» হাবিপ্রবি’তে ভিশন ও মিশন চূড়ান্তকরণ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত «» দিনাজপুরে মাদক নির্মুলের জন্য প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে সচেতনতা জাগ্রত করতে হবে «» ফুলবাড়ী পুলিশের হাতে ৭৫ পিচ ফেন্সিডিল সহ আটক ২

কুটির শিল্প প্রকল্পের নামে সমাজ উন্নয়ন সংস্থার গ্রাহকদের ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে লাপাত্তা

রাজবাড়ী  ঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ঋনদান ও কুটির শিল্প প্রকল্পের নামে সমাজ উন্নয়ন সংস্থা ( এসডিএস) সাধারন মানুষের কাছ থেকে ১০ লক্ষধিক টাকা হাতিয়ে চম্পট দিয়েছে।
জানাগেছে, এক সপ্তাহ আগে বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের টিএন্ডটিপাড়ার মুরগী ব্যবসায়ী নায়েব আলীর বাসা ভাড়া করে। অফিসে কোন চেয়ার-টেবিল না থাকলেও বাসার সামনে একটি সাইনবোর্ড টাঙ্গানো হয়। সাইনবোর্ডে সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (এসডিএস) রেজিঃ নং-স/ক/স-৩৭৩ উল্লেখ করে। ৪জন মহিলা ও ২জন পুরুষ বিপুল পরিমান টাকা ঋনের লোভ দেখিয়ে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে গ্রাহক সৃষ্টি করাসহ সঞ্চয় সংগ্রহ করে। প্রত্যেককে আগামী সোমবার ঋন প্রদানের কথা রয়েছে।
শনিবার বিকালে খবর পেয়ে ওই অফিসে গেলে কাউকে পাওয়া যায়নি। এসময় প্রতারনার শিকার বহরপুর ইউনিয়নের চরগুয়াদাহ গ্রামের ওসমান গণি, মাসুদ, মাতলাখালী গ্রামের হানিফ মন্ডল, ইসমাইল মন্ডল, বালিয়াকান্দি ইউনিয়নের পাইককান্দি গ্রামের জিহাদ শিকদার, তুষার মুন্সী, মোহাম্মদ আলী খন্দকার, বিল্লাল শিকদার, আহম্মদ আলীসহ মধুখালীর প্রতারিত গ্রাহকরা বলেন, ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় জমা দিলে ঋন ১লক্ষ টাকা পাওয়া যাবে। এ ভাবে আমাদের কাছ থেকে সঞ্চয় গ্রহন করে। সোমবার ঋন দেওয়ার কথা রয়েছে। শনিবার বিকালে অফিসে এসে জানতে পারি তারা টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়েছে। এ চক্রটি ২ মাস পুর্বে ফরিদপুরের মধুখালীতে পল্লী উন্নয়ন সংস্থার নামে ২০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে চম্পট দেয়। এখন বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন থেকে অন্তত ১০ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এসময় প্রতারিত হওয়া গ্রাহকরা তাদের মোবাইলে তুলে রাখা প্রতারক নাজমার একটি ছবি প্রদান করেন।
বাড়ীর মালিক নায়েব আলীর স্ত্রী বলেন, যারাই আমার কাছে শুনেছেন তাদেরকে বলেছি ঈদের পর অফিসে মালামাল আনার কথা। অফিস ঠিক না হলে টাকা দিলে আমরা কিছু বলতে পারবো না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম রেজা বলেন, আমার কাছে এ নামে কোন এনজিও আছে বলে জানা নেই। তবে তারা প্রতারনার সাথে জড়িত থাকে এবং কেউ অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ