ঢাকা রবিবার, ২৬শে মে, ২০১৯ ইং, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
ADD
শিরোনাম :
«» জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী পালিত «» বিএনপি নেতা নাসির ক্যান্সারে আক্রান্ত আর্থিক সহায়তা কামনা «» ঝিনাইদহে আম ও তরমুজে আগুন, নিয়ন্ত্রহীন বাজারে নেই কোনো দামাদামি «» গভীর রাতে গোয়াল ঘর থেকে ৫টি গরু চুরি «» ঝিনাইদহের ডাকবাংলা এলাকা থেকে ৭০ লিটার বাংলা মদসহ আটক ১ «» আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ২০ «» মহেশপুরে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন এএসআই আনিচ «» জোড়াবাড়ীতে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে মহিলাসহ ৪জনকে পিটিয়ে জখম «» চুয়াডাঙ্গায় দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান «»   নফল ইবাদতগুলো আমল করার চেষ্টা করুন : (মাগফিরাতের দশম দিন)

শার্শায় সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ

শার্র্শা (যশোর) সংবাদদাতা : শার্শা সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এস,এস,সি পরীক্ষার ভোকেশনাল শাখার এ্যাটাসমেন্ট বাবদ অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায় শার্শা সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার ট্রেড ইন্সট্রাক্টর জনাব গাজী আলমগীর হোসেন ও শাজাহান আলী। তারা দুজনে তাদের নির্ধারিত ট্রেডের শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে পরীক্ষা পরবর্তী এ্যাটাসমেন্ট বাবদ অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার অভিযোগ করেছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। গাজী আলমগীর হোসেন ম্যাকানিকাল ট্রেডের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিক্ষার্থী প্রতি ৪০০ টাকা ও শাজাহান আলী ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিক্ষার্থী প্রতি ৫০০ টাকা হারে আদায় করছেন। এ কাজে সহযোগিতা করছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম। শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ করে জানা যায় ২০১৮ সালের এস,এস,সি ভোকেশনাল পরীক্ষায় গাজী আলমগীর হোসেন স্যারের ট্রেডে কয়েকজন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়। এর কারন হিসেবে দেখা যায় তাদেরকে অনেকটা ইচ্ছাকৃতভাবে কম নম্বর দিয়ে ফেল করিয়ে দেয়া হয়েছে। সেই ভয়ে পরীক্ষার্থীরা টাকা দিয়েছেন। আর শাজাহান আলী ও আলমগীর হোসেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের আস্থাভাজন হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ হচ্ছে না। জানা যায় এ দুইজন শিক্ষক বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে প্রধান শিক্ষকের অপকর্ম ঢাকতে তদবীর করে থাকেন। কিছুদিন পূর্বে ভোকেশনাল শিক্ষকেরা প্রধান শিক্ষকের নিকট তাদের এ্যাটাচমেন্টের টাকা চাইতে গেলে প্রধান শিক্ষকের সাথে শিক্ষকদের বাক-বিতন্ডা হয় তখন শাজাহান আলী ও আলমগীর হোসেন শিক্ষকদের টাকা পরিশোধের দায়িত্ব নেন। অথচ উক্ত টাকা শিক্ষকদের অধিকার। এভাবে প্রতি বছর তারা এস,এস,সি পরীক্ষার সময় ৪০/৫০ হাজার টাকা আদায় করে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম জানান তাকে জড়িয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ সঠিক নয়। আর বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার ট্রেড ইন্সট্রাক্টর জনাব গাজী আলমগীর হোসেন ও শাজাহান আলী দুই জনই ভালো মানের শিক্ষক। তাদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়টি ষড়যন্ত মাত্র। এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান হাফিজুর রহমান বলেন ঘটনাটি আমার জানা নেই। তবে খোজ খবর নিয়ে প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ