ঢাকা শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে গোপালগঞ্জে মাছের পোনা অবমুক্তি, বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» মেহেরপুরে নান আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন «» খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে মেহেরপুরে বিএনপি’র গণমিছিল «» জাতীয় মৎস্য সপ্তাহর উদ্বোধন মধুখালীতে «» মধুখালী উপজেলা পর্যায়ে ফাইনাল খেলার «» আধুনিক মানসম্মত এক্স-রে মেশিন টি আর ৫০০ এমএম এক্স-রে মেশিন চিকিৎসা সেবায় অবদান রাখবে প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরূপ বকসী বাচ্চু «» ভাঙ্গুড়ায় ছেলে ধরা আটক -২ «» বয়স্ক ভাতার টাকা তুলতে গিয়ে নারী আহত «» ডাকাত দলের দু’ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ «» সান্তাহারে কলেজ ছাত্রীকে উক্তত্য করার প্রতিবাদে মারপিট আহত-৩,আটক-১

আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সংকটে ভুগছেন ব্যবসায়ীরা

দীর্ঘদিন ধরে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে সংকটে ভুগছেন ব্যবসায়ীরা। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নগদ ডলার সরবরাহ করেও ঘাটতি মেটানো যাচ্ছে না। ব্যাংকগুলোতে প্রতিদিন নগদ ডলারের ঘাটতিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে ডলারের দাম গতকাল সর্বোচ্চ ৮৬ টাকার ওপরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্যাংকগুলোর কাছে বাংলাদেশ ব্যাংকই ৮৪ টাকার ওপরে বিক্রি করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত এ সংকট কাটার সম্ভাবনা কম।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। রপ্তানির তুলনায় আমদানির পরিমাণ প্রতি মাসেই বাড়ছে। গত অর্থবছর শেষে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল প্রায় হাজার কোটি ডলার। চলতি বছর এ ঘাটতি বৃদ্ধির প্রবণতা এখনো রয়ে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রতি মাসে রপ্তানির তুলনায় আমদানির পরিমাণ অনেক বেশি। গত এপ্রিলে আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে দেখা গেছে মোট রপ্তানি হয়েছে ৩৩৪ কোটি ডলার, বিপরীতে আমদানি হয়েছে ৯৪১ কোটি ডলার। এ সময় রপ্তানির চেয়ে আমদানি বেশি হয়েছে ৬০৭ কোটি ডলার। প্রতি মাসের চিত্রই এমন। ফলে ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলা বাজারে ডলার সরবরাহ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৪৬ কোটি ডলার। চলতি বছর রেমিট্যান্সের পরিমাণ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। রেমিট্যান্স অর্থ দিয়েও নগদ ডলারের ঘাটতি মেটাতে পারছে না। ব্যাংকগুলো ডলার ঘাটতির কারণে অনেক ক্ষেত্রে এলসি খুলতে পারছে না। বৃহৎ প্রকল্পগুলোতে ডলারের ব্যবহারের কারণে ব্যবসায়ীরা ডলার পাচ্ছে না। গতকাল বিভিন্ন ব্যাংকের ডলার লেনদেনে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ ৮৬ টাকায় ডলার বিক্রি হয়েছে। ঢাকা ব্যাংক ডলার বিক্রি হয়েছে ৮৪.৫০ টাকা, বেসিক ব্যাংক ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা, অগ্রণী ব্যাংক ৮৫.৫০ টাকা, সোনালী ব্যাংক ৮৫ টাকা ৫৫ পয়সা, জনতা ব্যাংক ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা, আইএফআইসি ব্যাংক ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা, যমুনা ব্যাংক ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা, এনসিসি ব্যাংক ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা, আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা, রূপালী ব্যাংক ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা, ইস্টার্ন ব্যাংক ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা, এসআইবিএল ৮৫ টাকা ৫০ পয়সা, স্টান্ডার্ড ব্যাংক ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ৮৪ টাকা ৫০ পয়সা, এক্সিম ব্যাংক ৮৫ টাকা, ইউসিবি ৮৪ টাকা ৭৫ পয়সা।

সংকটের কারণে প্রতিদিন খোলা বাজারে নগদ ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলার সরবরাহ করেও ঘাটতি মেটানো যাচ্ছে না। এর প্রভাব পড়েছে দামে। ডলার সংকট তীব্র হওয়া শুরু করে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে, ওই সময় ডলার ছিল ৮০ টাকার নিচে। এক মাসের ব্যবধানে ডলার ৮৪ থেকে ৮৫ টাকায় চলে আসে। এরপরে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার সরবরাহ শুরু করলে কিছুটা সংকট কমে যায়। তবে গত তিন/চার মাস ধরে এ পরিস্থিতি আবারও অবনতির দিকে চলে গেছে। বিষয়টি জানতে চাইলে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়দুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, সরকারি বিভিন্ন বড় প্রকল্পের জন্য প্রচুর ডলার চাহিদা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া আমদানি ব্যয় রপ্তানি আয় থেকে মেটানো যাচ্ছে না। ফলে সংকট কাটছে না।পুরো বছরই এ সংকট থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে ডলার সরবরাহ করছে। এতে আমাদের তেমন কোনো সমস্যা নেই।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ