ঢাকা বুধবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার- পুলিশের ধারণা হত্যা «» এইচ.এস.সি পরীক্ষায় আলাইপুর ডিগ্রি কলেজের সাফল্য «» তরকারী স্বাদ না হওয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা «» নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ভূমি বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা   «» ট্রাক থেকে ১২,৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক «» মেরিন ড্রাইভ সড়ক থেকে যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার «» দুই আদিবাসীকে শিক্ষা সহায়তা প্রদান করল মানবসেবা «» চট্টগ্রামের পতেঙ্গা লালদিয়া চরের উচ্ছেদকৃত মানুষের আহাজারীতে কাঁপছে আকাশ-বাতাস «» আইন হাতে তুলে নিয়ে নিজেদের অপরাধি বানাবেন না -পুলিশ সুপার «» পঞ্চগড়ে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ কালে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ী আহত

ফাইভ জি সেবার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ: মোস্তাফা জব্বার

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, দেশে ফাইভ জি সেবা দেয়ার জন্য আমরা অবকাঠামোগত ভাবে প্রস্তুত আছি। কিন্তু সারা বিশ্বে এখনো ফাইভ জি’র মান নির্ধারণ হইনি বলে সেবাটি চালু করতে পারছিনা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্মার্টফোন ও ট্যাব এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসময় মন্ত্রী বলেন, স্মার্টফোনের উপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট পরিকল্পতি একটি সিদ্ধান্ত ছিলো। আমাদের সুনির্দিস্ট লক্ষ্য হচ্ছে, এই দেশ চিরকাল আমদানী নির্ভর হয়ে থাকতে পারেনা। দেশ অনেক এগিয়ে যাবার পর উৎপাদকের দেশ হতে পারবেনা এটা মেনে নেয়া যায়না।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, সেদিন আর দূরে নয় জনগণকে সরকারি সেবা নেয়া বা পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার হবে এই স্মার্টফোন। বাংলাদেশে বর্তমানে ৯ থেকে ১০ কোটি মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবহার হয়; তার মাত্র ৩০ ভাগ স্মার্টফোন। আগামী দুই বছরের মধ্যে বাকি জায়গা স্মার্টফোনের দখলে চলে আসবে। এই চাহিদা পূরণে এখনি স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোন উৎপাদনের কথা চিন্তা করতে হবে।

তিনি বলেন, যারা এখনো আমদানী নির্ভর ব্যবসার কথা চিন্তা করছেন তারা নতুন করে ভাবা শুরু করুন। এখনি সময় স্থানীয় উৎপাদনের দিকে নজর দেয়ার। যেখানে আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হবে সেখানে এখানে উৎপাদন করে রফতানি করলে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেবে সরকার। যা আশপাশের কোন দেশ দেয়না। স্থানীয় উৎপাদনকারীরা সকল ধরনের সুবিধা পাবেন তা আমি নিশ্চিত করে বলতে চাই।

মন্ত্রী বলেন, সরকার মোবাইল কেন্দ্রিক সেবার ক্ষেত্রে ফোকাস দিচ্ছে। বাংলাদেশে তৈরি হবে বিশ্বমানের স্মার্টফোন। সেদিন আর দূরে নয়। এরই মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান স্মার্টফোন তৈরি শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ডিভাইসের সাথে কনটেন্টের দিকেও নজর দিতে হবে। কারণ সব ধরনের ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে দরকার নিরাপদ ইন্টারনেট। আর নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে পারলেই দেশ আরো এগিয়ে যাবে। সরকার নিরাপদ ইন্টারনেট নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, স্যামসাং বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার স্যাংওয়ান ইউন, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেডের সেলস ডিরেক্টর সালাহউদ্দীন সানজি, অপো বাংলাদেশের ব্র্যান্ড হেড আইয়োনো, ডিএক্স টেল লিমিটেডের হেড অব রিটেইল অপারেশন জেএম হাসান সাইফ, ভিভো বাংলাদেশের হেড অব প্রোজেক্ট  অ্যান্ড অপারেশন অ্যাঙ্গাস, স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের ডিরেক্টর (টেলিকম বিজনেস) সাকিব আরাফাত এবং এক্সপো মেকারের কৌশলগত পরিকল্পনাকারী মুহম্মদ খান।

এর আগে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয় ‘স্মার্টফোন ও ট্যাব এক্সপো (সামার) ২০১৯’। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিনদিনব্যাপি এই মেলা চলবে শনিবার পর্যন্ত। প্রতিদিন মেলা চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত। 

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ