ঢাকা রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» জীবননগরে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভুয়া পানি বাবার আবির্ভাব, ভক্তদের ভিড় এক ফুঁতে সব রোগ ভালো «» রাজশাহীতে আমন রোপণ ব্যাহত,কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই «» রাজশাহীতে ছেলেধরা গুজবে মাইকিংয়ের নির্দেশনা,নারীসহ দুই যুবককে গণপিটুনি «» চুয়াডাঙ্গা পরিদর্শনে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমান  «» গ্রামের মানুষের জন্যে নিজ টাকায় রাস্তা সংস্কার করলের যুবলীগ নেতা মিজান «» কোম্পানীগঞ্জে জেল থেকে বের হওয়ার ১৫ দিনের মাথায় প্রতিপক্ষের পিটুনিতে যুবক নিহত «» ফরিদপুরে জাল টাকাসহ আটক-২ «» দিনাজপুরে নবরূপী’র মাসিক সাহিত্য বাসরে কবি সাহিত্যিকদের মিলন মেলা «» দিনাজপুর দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত «» দিনাজপুরে শীঘ্রই পাইপ লাইনে গ্যাস আসছে

কুড়িগ্রামে দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীর বিয়ে

রফিকুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীর নোটারী পাবলিক ক্লাবের গিয়ে  বিয়ে সম্পন্ন করেছে। প্রশাসনকে জানিয়ে প্রতিরোধ হয়নি বাল্য বিয়ে। এবিষয়ে সুশীল সমাজে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

রৌমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি সুজাউল ইসলাম সুজা জানান, উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের বাইটকামারী গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে আমিনুল ইসলাম(১৫) এবং যাদুরচর ইউনিয়নের কোমরভাঙ্গী গ্রামের সাবেক মেম্বার আছুর উদ্দিন মেয়ে চায়না খাতুন (১৫)’র প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তাদের বিয়ে দেয়া নিয়ে টানা পোড়েন ছিল। পরে মেয়ের বাবা রাজিবপুর উপজেলার কোদাল কাটিতে তার আতœীয়ের বাড়িতে অবস্থান করে। সেখানে রবিউল মহুরির মাধ্যমে ছেলে-মেয়ের ছবি দিয়েই নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করার বিষয়টি শুনতে পেরেছি। বিষয়টি ৯৯৯ নাইনে ফোন দিয়েও কোন কাজ না হওয়ায় স্থানীয় থানার ওসিকে বললেও তারা বিয়ে রোধে কোন পদক্ষেপ নেননি। নোটারী পাবলিকে বিয়ের বিষয়টি জানান যাদুরচর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার সালাম। কোমরভাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, আমিনুল ও চায়না দুজনেই আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাদের রোল নং ছেলের মানবিক বিভাগের এ-শাখার ১৫ এবং মেয়ে মানবিক বিভাগের বি-শাখার ১৬। দুজনেই প্রায় দু সপ্তাহ ধরে স্কুল আসে না।  স্কুল না আসার খোঁজ করতে গিয়ে জানতে পারি দুজনেই খাড়ছড়িতে মেয়ের আতœীয়র বাড়িতে বেড়াতে গেছে। কিন্তু তাদের বিয়ে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। লোক মুখে তাদের বিয়ের কথা শুনতে পেরেছি। তবে পরিবারের কেউ কিছু বলেনি। যাদুরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শরবেশ আলী বলেন, আমার কাছে মেয়ের বাবা ছেলে-মেয়ের বিয়ের জন্য এসেছিল আমি বয়স কম দেখে রাজি হয়নি। কিন্তু পরে কি হয়েছে সেটা আমার জানা নেই। রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আবু মো: দিলওয়ার হাসান ইনাম জানান,খবর শুনে লোক পাঠানো হয়ে ছিল। কিন্তু তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে তারা বিয়ে করেছে কিনা আমার জানা নেই।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ