ঢাকা রবিবার, ১৬ই জুন, ২০১৯ ইং, ২রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :

দিন দিন বেড়েয় চলেছে নারী নির্যাতন

রনি আকন্দ বিশেষ  প্রতিনিধিঃ  অশান্তির চরমে পৌঁছে এখন আমরা কেবল অস্থিরচিত্তে অনৈতিক উপায়ে মুক্তির পথ খুঁজছি। জাতীয় অর্থ ভান্ডার আজ অরক্ষিত শত-শত কোটি টাকা হ্যাকাররা লুটে নেয়, সবার অজান্তে-অলক্ষে। প্রিয় সন্তানকে গলাটিপে হত্যার পর নির্বিকার থাকেন মা-জননী! দোষ চাপানোর চেষ্টা চলে খাবারের দোকানির ঘাড়ে। অবোধ শিশুর পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে মেরে ফেলা হয়। কেরোসিনের আগুনে ঝল্সে দিচ্ছে তাজা প্রাণ। যখন তখন রাজপথে দুর্ঘটনা, সহিংসতায় প্রাণ যাচ্ছে হাজার হাজার বনি আদমের। নারীরা আজ বিভিন্নভাবে নির্যাতিনের  শিকার হচ্ছে। হত্যা,
ধর্ষণ,অপহরণ,ইভটিজিং,যৌতুকের নির্যাতনসহ তারা সামাজিক এবং পারিবারিক বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। বর্তমান নারীদের প্রতি বর্বর নির্যাতন দেখে মনে হয় আমরা  একটি আধুনিক জাহেলিয়াতের যুগ পেয়েছি।   পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৭ সালে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে ১৫ হাজার ২১৯টি, ২০১৬ সালে ১৬ হাজার ৭৩০টি, ২০১৫ সালে ১৯ হাজার ৪৮৬টি, ২০১৪ সালে ১৯ হাজার ৬১৩টি, ২০১৩ সালে ১৮ হাজার ৯১টি, ২০১২ সালে ১৯ হাজার ২৯৫ টি এবং ২০১১ সালে ১৯ হাজার ৬৮৩ টি সমাজের প্রতিটি স্থান থেকে নারী নির্যাতন প্রতিহত করতে এগিয়ে আসতে হবে।” এই বক্তব্য সমাজের প্রত্যেকটি মানুষ যদি অনুধাবন করতো, এই সমাজ বদলে অনেক নারী-বান্ধব হয়ে যেতো। অনেক নারী পুরুষ এখনো তাদের দায়িত্ব পালনে সচেতন নন। যাদের চরম দায়িত্বহীনতা এবং অন্যায়ের কারনে চরম বৈষাম্য এবং নিপীড়নমূলক  সমাজে এই ভয়াবহতা এখনো বিরাজমান। তবু আমরা স্বপ্ন দেখি,এই সমাজ একদিন নারী-বান্ধব হবে। আর নারী নির্যাতনের চিত্র দেখে হা-হুতাস নয়; হৃদয়ে আর রক্তক্ষরণ নয়, নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য এবং নির্যাতন প্রতিরোধে সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসতে হবে।” আর কথার ফুলঝুরি নয়,বন্ধু,ভাই, সহকর্মীরা আসুন নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আমরা একত্রিত হই। আমাদের সমাজ থেকে সকল প্রকার অন্যায় অবিচার জুলুম নির্যাতন প্রতিরোধ করি।
যৌন হয়রানি , নিপীড়ন ও সকল প্রকার সহিংসতা মুক্ত শিক্ষাঙ্গণ চাই-এই শ্লোগানকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ. আ. ম. স আরেফিন সিদ্দীকী বলেছেন , একবিংশ শতাব্দির এই সময়ে যদি শুধু মাত্র নারী হওয়ার কারণে নির্যাতনের শিকার হতে হয় তা সত্যিই আমাদের জন্য বেদনাদায়ক এবং উদ্বেগের বিষয় । আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর অনুপাত প্রায় অর্ধেক । নারীর এই অগ্রযাত্রা সে দিন থেকে অনেক প্রশংসনীয় । কিন্তু পাশা পাশী নারীর প্রতি যে সহিংসতা, যৌন হয়রানী, নিপীড়ন এগুলো আমাদের কে ভাবিয়ে তুলেছে । তাই শিক্ষকগণ থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্থান থেকে নারী নির্যাতন প্রতিহত করতে আমাদের এগিয়ে আসতে সমাজে বসবাস রত সকল মানুষকে সৎ, দক্ষ্য, সচেতন সুনাগরিক হিসেবে গড়তে হবে। আদর্শ চরিত্র বান রূপে নিজেদেরকে উপস্থাপন করতে হবে । সদা সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে অন্যায়েন বিরুদ্ধে রুখে দ্বারাতে।
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ