ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০শে জুন, ২০১৯ ইং, ৬ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :

পাঁচবিবিতে নলকূপের মিটার চুরি, বিকাশ নাম্বারে টাকা দাবি

রনি আকন্দ বিশেষ প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আওলায় ইউনিয়নের পাঁচটি মৌজায় ২০টি বিদ্যুৎচালিত গভীর নলকূপের মিটার চুরি হয়েছে। চুরি হওয়া মিটার ফেরত নিতে মোবাইলে বিকাশ নাম্বারে টাকা দাবি করছে চোরচক্র। গত বুধবার রাতে ঝড়ের কারণে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় মিটার চুরির এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে ঝড়ের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসহ আওলায় ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এই সুযোগে চোরচক্র ইউনিয়নের নওঁগা,কাঠালী, বিহিগ্রাম,ধলটিকর ও ঝাঞ্জর মৌজার ২০টি গভীর নলকূপের মিটার খুলে নিয়ে যায়। চক্রটি প্রত্যেকটি মিটার খোলার পর সেই জায়গায় ছোট কাগজে মুঠোফোন নম্বর ০১৭৯২৭৪৩০২২ লিখে রেখে যায় যোগাযোগ করার জন্য। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে ধলটিকর গ্রামের গভীর নলকূপ মালিক হারুন রেখে যাওয়া মুঠোফোন নম্বরে ফোন করলে অপরপ্রান্ত থেকে বিকাশ নম্বর ০১৯৫১৯৯৩৯৬৬ দিয়ে টাকা দাবি করা হয়। কথা বলার একপর্যায়ে হারুনের সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকায় মিটার বের করে দিতে রাজি হলে বিকাশ নম্বরে হারুন পাঁচ হাজার টাকা পাঠিয়ে দেন। এরপর হারুনকে চোর মুঠোফোনে বলে নওগাঁ গ্রামের আ. হামিদের খড়ের পালার ভেতর মিটার রাখা আছে। এর পর হারুন গিয়ে তাঁর মিটারটি উদ্ধার করে। এই ঘটনার পর নওগাঁ গ্রামের রফিকুল ইসলাম সন্ধ্যয় থানায় নিজের নলকূপের মিটার চুরি হওয়ার জন্য সাধারণ ডায়েরি করেন। আওলায় ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক চৌধুরী তাওহীদ বলেন, হারুনের মিটার বের হওয়ার পর খোঁজ নিয়ে দেখি আমার নলকূপের মিটারসহ চোরচক্র ২০টি মিটার চুরি করে নিয়ে গেছে। পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় মিটার চোরের সংঘবদ্ধ চক্রকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ