ঢাকা রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» জীবননগরে সীমান্তবর্তী এলাকায় ভুয়া পানি বাবার আবির্ভাব, ভক্তদের ভিড় এক ফুঁতে সব রোগ ভালো «» রাজশাহীতে আমন রোপণ ব্যাহত,কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা নেই «» রাজশাহীতে ছেলেধরা গুজবে মাইকিংয়ের নির্দেশনা,নারীসহ দুই যুবককে গণপিটুনি «» চুয়াডাঙ্গা পরিদর্শনে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমান  «» গ্রামের মানুষের জন্যে নিজ টাকায় রাস্তা সংস্কার করলের যুবলীগ নেতা মিজান «» কোম্পানীগঞ্জে জেল থেকে বের হওয়ার ১৫ দিনের মাথায় প্রতিপক্ষের পিটুনিতে যুবক নিহত «» ফরিদপুরে জাল টাকাসহ আটক-২ «» দিনাজপুরে নবরূপী’র মাসিক সাহিত্য বাসরে কবি সাহিত্যিকদের মিলন মেলা «» দিনাজপুর দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত «» দিনাজপুরে শীঘ্রই পাইপ লাইনে গ্যাস আসছে

পিতামাতার প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য

মাও : মো : রায়হানূর রহমান

ইসলামের দৃষ্টিতে বান্দার হকের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে পিতামাতার হক। আল্লাহ তায়ালার পরেই পিতামাতার প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হয়। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা পিতা-মাতার প্রতি করণীয় সম্পর্কে বলেছেন,‘আপনার প্রতিপালক এই নির্দেশ দিয়েছেন যে, তাকে ব্যতীত আর কারো ইবাদত করবে না, আর পিতামাতার সাথে ভাল ব্যবহার করবে। বিশেষ করে যখন তারা একজন অথবা উভয়েই বার্ধক্যে উপনীত হবে তাদের সাথে এমন কোন আচরণ করবে না যে, তারা উহ্ শব্দটিও বলে। আর তাদের জন্য দয়ার বাহুকে প্রসারিত করবে এবং তাদের জন্য এই বলে দোয়া করবে যে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! পিতামাতা শৈশবকালে আমাকে যেভাবে (আদর-যতেœ) লালনপালন করেছে, তুমিও তাদের প্রতি সেরূপ দয়া কর। (সূরা বণী ইসরাঈল : ২৩-২৪)। আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, কোন ছেলেই তার পিতার অনুগ্রহের প্রতিদান দিতে সক্ষম নয় । তবে সে যদি কাউকে গোলাম হিসেবে পায় , আর তাকে ক্রয় করে মুক্ত করে দেয় । (আবু দাউদ : ৫১৩৭,তিরমিযি : ১৯০৬, আদাবুল মুফরাদ : ১০) । আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে এসে জিহাদের অনুমতি চাইল । তিনি বলেন, তোমার পিতা-মাতা কি জীবিত আছেন ? সে বলল, হ্যাঁ । তিনি বললেন, যাও তাদের খেদমতে আত্মনিয়োগ কর । কেননা বেহেশত মায়ের পায়ের কাছে । (বুখারি : ৫৭৩৮, মুসলিম : ৬২৭৬, নাসাঈ : ৪১৭৪,)। আয়েশা (রাঃ)সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন : আমি বেহেশতে প্রবেশ করলাম এবং তথায় কোরআন পাঠ শুনতে পাইলাম । আমি জিজ্ঞেস করলাম : এই ব্যক্তি কে ? ফেরেশতারা বললেন, হারেসা  বিন নো’মান (রাঃ) । এটা শুনে সাহাবারা বলল, হারেসা কিভাবে এতটা মর্যাদা লাভ করল ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, পূণ্যের প্রতিফল এরূপই । পূণ্যের প্রতিফল এরূপই । সে তার মায়ের সাথে সকল মানুষের চেয়ে বেশি ভাল আচরণ করতো । (শরহে সুন্নাহ ও বায়হাকী, সূত্র : মিশকাত : ৪৯২৬ ) ।

পিতামাতাকে নিজেদের বাড়িতেই আদর-যতেœ রাখতে হবে, বৃদ্ধাশ্রমে নয়। কারণ যারা পিতামাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে রাখেন তারা পিতামাতার খেদমত করার সুযোগ পান না, হাদিসে তাদেরকে তিরস্কার করা হয়েছে। আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, তার নাক ধূলায় মলিন হোক, তার নাক ধূলায় মলিন হোক, তার নাক ধূলায় মলিন হোক । জিজ্ঞেস্ করা হলো কে সে ? হে আল্লাহর রাসূল ! তিনি বললেন, যে ব্যক্তি নিজের পিতা-মাতার কোন একজনকে কিংবা উভয়কে বার্ধক্য অবস্থায় পেল অথচ সে বেহেশতে প্রবেশ করতে পারল না (অর্থাৎ পিতামাতার সেবাযতœ করে জান্নাতের উপযোগী হল না)। (মুসলিম : ৬২৭৯)।

পিতামাতার জন্য অর্থ ব্যয় করা : পিতামাতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য অর্থ ব্যয় করলে সাদকার সাওয়াব পাওয়া যায়। আদি ইবনে সাবিত (রাঃ) সূত্রে। রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেন, যদি কোন মসুলিম তার পরিবারের জন্য কিছু খরচ করে এবং তাতে সাওয়াবের আশা রাখে তবে তা তার জন্য সাদকা হিসেবে গণ্য হবে ।(বুখারি : ৫১৪২, মুসলিম : ২১৯৪)। এ সম্পর্কে অন্যত্র মহান আল্লাহ বলেন, ‘ইয়াস্ আলূনাকা মাযা ইউনফিকূন ক¦ুল মা আন্ফাক্বতুম মিন খাইরিন ফালিল ওয়ালিদাইনি ওয়াল আক্বরাবীনা ওয়াল ইয়াতামা ওয়াল্ মাসাকীনা ওয়াব্নিস সাবীলি অর্থ: লোকে আপনাকে জিজ্ঞেস করে, কিভাবে খরচ করবে? বলে দিন তোমরা কল্যাণকর যা কিছু খরচ করবে, তা করবে তোমাদের পিতামাতার জন্য এবং নিকট-আত্মীয়, ইয়াতিম, মিসকিন এবং অসহায় পথিকদের জন্যও ব্যয় করবে।’ ( সূরা আল- বাকারাহ্ : ২১৫)। মহান আল্লাহ আরো বলেন, ‘তোমরা আমার এবং তোমাদের পিতামাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে, আর প্রত্যাবর্তন তো আমারই দিকে। (সূরা লুকমান : ১৪) । আমরা অনেক সময় পিতামাতাকে কিছু টাকা দেউ খরচ করার জন্য, কিন্তু তারা নিজের জন্য খরচ না করে অসহায় অন্য ছেলে-মেয়ে,ভাই-বোন বা অন্য কাউকে দিয়ে দেয়। তখন আমরা তাদের সাথে রাগ করি। এটা ঠিক নয়। বস্তুত আমরা নিজেরা এবং আমাদের উপার্জন সবই আমাদের পিতামাতার প্রাপ্য। পিতামাতা ইচ্ছামতো সন্তানের সম্পদ ভোগ করতে পারবে। আমর ইবনে শুআইব (রাঃ) তার পিতা এবং তিনি তার দাদার সূত্রে । একবার এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি আছে,আর আমার পিতা আমার সম্পদের মুখাপেক্ষী। তখন তিনি বললেন, তুমি এবং তোমার মাল সবই তোমার পিতার । আর তোমাদের সন্তান-সন্ততি তোমাদের জন্য উত্তম উপার্জন । সুতরাং তোমরা তোমাদের সন্তানের উপার্জিত মাল হতে আহার করবে । ( আবু দাউদ : ৩৫৩০)।

পিতার চেয়ে মাতার প্রতি বেশি যতœবান হওয়া : এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে এসে আরজ করল, হে আল্লাহ  রাসূল ! আমার কাছে সবচেয়ে বেশি সদাচারণ পাওয়ার হকদার কে ? তিনি বললেন, তোমার মা, লোকটি বলল, তারপর কে ? তিনি বললেন, তোমার মা। এভাবে তিনবার মায়ের কথা বলার পর চতুর্থ বারে বললেন, তোমার বাবা । তারপর তোমার নিকটতম আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধুবান্ধব । (বুখারি : ৫৭৩৭, মুসলিম : ৬২৭০)।

পিতামাতাকে গালি না দেওয়া : গালি দেওয়া তো দূরের কথা আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে ‘উহ্’ শব্দটি বলতেও নিষেধ করেছেন। হাদিসে এসেছে; আমর ইবনুল আস (রাঃ) সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, কোন ব্যক্তির নিজের পিতা-মাতাকে গালি দেওয়া কবীরা গুণাহ্ সমূহের অন্যতম । জিজ্ঞেস করা হলো, মানুষ কি তার পিতামাতাকে গালি দেয় ? রাসুল (সা) বললেন, কেউ অন্যের পিতামাতাকে গালি দিবে প্রতি উত্তরে সেও তার পিতামাতাকে গালি দিবে। (এভাবে সে নিজের পিতামাতাকে গালি শোনাবে)। (বুখারি : ৫৭৩৯, মুসলিম, আবু দাউদ : ৫১৪১) ।

পিতামাতার মৃত্যুর পর করণীয় : পিতামাতার মৃত্যুর পর তাদের অসিয়ত পূরণ করা, তাদের জন্য দোয়া করা, তাদের ওয়ারিশদের হক আদায় করা এবং তাদের আত্মীয়স্বজনদের সাথে ভাল ব্যবহার করা কর্তব্য। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, কোন ব্যক্তির সর্বোত্তম নেককাজ হলো পিতার মৃত্যুর পর তার পিতার বন্ধুবান্ধবদের সাথে ভাল ব্যবহার করা । (মুসলিমঃ ৬২৮৩, মিশকাত : ৪৯১৭)। আবু উসায়দ মালেক ইবনে রাবীয়া সায়েদী (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সা) এর কাছে  এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাদের সাথে সদ্ব্যবহার করার কোন সুযোগ আছে কী? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি তাদের জন্য দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করবে , তাদের কৃত ওয়াদা (অসীয়ত ইত্যাদি ) পূরণ করবে, তাদের আত্মীয়দের সাথে আত্মীয়তা বজায় রাখবে এবং তাদের বন্ধুবান্ধবদের সাথে ভাল ব্যবহার করবে । (আবু দাউদ : ৫১৪২, মিশকাত : ৪৯৩৬, আদাবুল মুফরাদ : ৩৫) । আনাস (রাঃ) সূত্রে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যখন কারো বাবা-মা এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে সে তাদের অবাধ্য । তাহলে সে যদি তাদের মৃত্যুর পর দোয়া করে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে , তখন আল্লাহ তাকে পূণ্যবানদের সাথে লিখেন । ( বায়হাকী, মিশকাত : ৪৯৪২) ।

পিতামাতার অবাধ্যতার শাস্তি : আবু উমামা বাহেলী (রাঃ) বলেন , এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! মা-বাবার তাদের সন্তানের উপর কী হক্ব রয়েছে ? তিনি বললেন, তারা দু’জন তোমার বেহেশত ও দোযখ  ।  (ইবনে মাযাহ : ৩৬৬২, মিশকাত : ৪৯৪১) । আবু বাকরাহ (রাঃ) সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন , প্রত্যেক পাপ আল্লাহ তায়ালা যতটুকু ইচ্ছা ক্ষমা করে দেন । কিন্তু পিতা-মাতার অবাধ্যতার পাপ ক্ষমা করেন না । বরং তার শাস্তি  তার মৃত্যুর পূর্বে দুনিয়াতেই প্রদান করেন ।  (বায়হাকী । সূত্র : মিশকাত : ৪৯৪৫, আদাবুল মুফরাদ : ৫৯৩) । আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) সূত্রে। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, উপকার করে খোটা দানকারী, পিতামাতার অবাধ্যতাকারী এবং সর্বদা মদ্য পানকারী বেহেশতে প্রবেশ করবে না । ( নাসাঈ : ৫৬৮৮, মিশকাত : ৪৯৩৩) ।

পিতামাতার প্রতি নেক দৃষ্টি প্রদানের ফজিলত : আব্দল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, যখন কোন নেক সন্তান পিতা-মাতার প্রতি অনুগ্রহের দৃষ্টিতে তাকায়,তখন আল্লাহ তার প্রতিটি দৃষ্টির বিনিময়ে তার আমলনামায় একটি কবুল হজের সাওয়াব প্রদান করেন । সাহাবারা বলল, যদি সে দৈনিক একশত বার দৃষ্টি করে ? তিনি বললেন : হ্যাঁ তারও । আল্লাহ অতি মহান ও অতি পবিত্র । (বায়হাকী । সূত্র  মিশকাত : ৪৯৪৪) । আব্দল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় ভোর করল যে, সে তার পিতা-মাতার ব্যাপারে আল্লাহর অনুগত তখন তার জন্য বেহেশতের দু’টি দরজা খোলা থাকে । যদি একজন হয় তবে একটি দরজা খোলা থাকে ।  যে ব্যক্তি এমন অবস্থায় ভোর করল যে, সে তার পিতা-মাতার ব্যাপারে আল্লাহর অবাধ্য তখন তার জন্য দোযখের দু’টি দরজা খোলা থাকে । যদি একজন হয় তবে একটি দরজা খোলা থাকে ।  এক ব্যক্তি বলল, যদি তারা পুত্রের উপর অবিচার করে ? জবাবে রাসূলুল্লাহ (সা) বললেন, , যদি তারা পুত্রের উপর অবিচার করে তবুও , যদি তারা পুত্রের উপর অবিচার করে তবুও । (বায়হাকী । সূত্র মিশকাত : ৪৯৪৩, আদাবুল মুফরাদ : ৭)। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, পিতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি, পিতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি । ( তিরমিযি : ১৮৯৯, মিশকাত : ৪৯২৭, আদাবুল মুফরাদ : ২) । আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে। রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, তিন ব্যক্তির দোয়া কবুল হবার ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই । মাযলুমের দোয়া, মুসাফিরের দোয়া এবং সন্তানের জন্য মা-বাবার দোয়া । ( তিরমিযি : ১৯০৫) ।

পৃথিবীতে পিতামাতার চেয়ে আপনজন আর কেউ নেই । এহেন পিতামাতার প্রতি সকল সন্তানের উচিত সর্বোত্তম ব্যবহার করা। তাহলে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ লাভ করা সম্ভব ।

মাও : মো : রায়হানূর রহমান

সহকারী শিক্ষক : আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল ও কলেজ , বগুড়া সদর, বগুড়া।

মোবা : ০১৭৩৯-৮৫০৬৫৬  gmail : rrahman.rr75@gmail.com

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ