ঢাকা শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» নওগাঁ’র পাহাড়পুরে ল্যাট্রিনের সেফটি ট্যাংকিতে নেমে এক যুবকের মৃত্যু — আহত দুই «» নওগাঁর মান্দায় বানভাসী মানুষের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ «» এবার ঝিনাইদহের শৈলকুপা  ছাত্রীকে ধর্ষণ, থানায় মামলা «» হরিণাকুন্ডুর কাপাশাহাটিয়া ইউনিয়নে উপ-নির্বাচনে নৌকা মার্কার পক্ষে পথসভা «» খুলনার সাফল্যে গাঁথা নারী ইউএনও চিরিরবন্দরের কন্যা শাহনাজ বেগম «» রূপসায় সেনের বাজার স্ট্যান্ডে দু’গ্রæপের সংঘর্ষে আহত ৭ «» দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী আবু জাফর রাজু ড়া «» লাইনচ্যুত হয়ে প্রায় ৫০০ মিটার হেছড়ে স্টেশন প্লাটফর্মে গিয়ে পৌছায় «» নেত্রকোনায় প্রকাশ্য দিবালোকে শিশুর গলা কাটা মস্তক নিয়ে ঘুরে বেড়ানো ঘটনায় শিশু হন্তারক গণপিটুনিতে নিহত «» বীরগঞ্জে ১৩জন অস্বচ্ছল, প্রতিবন্ধী ও বয়স্কদের মাঝে ভাতা’র বই বিতরণ

বীরগঞ্জে নদী ভাঙ্গন আতঙ্কে ৪শ পরিবার

খায়রুন নাহার বহ্নি বীরগঞ্জ(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ সঠিক সময়ে কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই নদী ভরাট হলে সবার আগে শুরু হয় নদী ভাঙ্গন। এতে বিলীন হয় নদী পারের স্থাপনা। হারিয়ে যায় মানুষের ঘরবাড়ি, ক্ষেতের ফসল ও গাছপালা। আগামী বর্ষা মৌসুম আসতে এখনও একমাস বাকি থাকলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় ফের নদী ভাঙ্গনের আশঙ্কা এখন নদী তীরবর্তী মানুষের।

দিনাজপুরের জেলার উত্তর-পশ্চিমে বীরগঞ্জ উপজেলা। এই উপজেলার ৬নং নিজপাড়া ইউনিয়নের দাসপাড়ার পাশ দিয়ে প্রবাহিত ঢেপা নদী। দাসপাড়া এলাকায় প্রায় ৪শ পরিবারের বসবাস। তারা কৃষি কাজ ও মাছ ধরেই তাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকে।

স¤প্রতি বীরগঞ্জ উপজেলার নদীপাড়ের দাসপাড়া পরিদর্শন করে দেখা যায়, নদীর পাড় থেকে কয়েক শ’ গজ দূরে এনজিও বাংলা ইয়ুথ ফাস্ট কনসান্স, তারপর হরিসভা প্রাঙ্গন। গত বর্ষা মৌসুমের নদী ভাঙ্গনের কারণে বর্তমানে নদীর তীরবর্তী ঘরগুলোর মধ্যে ফাটল ধরেছে। এসময় ওই গ্রামের নারী-পুরুষ নদী ভাঙ্গন রোধে টেকশই বাঁধ নির্মানের দাবীতে নদীতে নেমে মানবনন্ধন করেন। পাশাপাশি ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছেন নিজপাড়া ইউনিয়নের হাজীপাড়া ও বোচাপুকুর গ্রামবাসী।

দাসপাড়া এলাকার হরিসভা কমিটির সভাপতি নরেন দাস বলেন, প্রতি বছর নদী ভরলে পানির ¯্রােতে কয়েক হাত করে জায়গা নদী গর্ভে চলে যায়। এভাবে নদীর ভাঙ্গার কারণে এই এলাকার ২৫-৩০ টি পরিবার যাদের বসতবাড়ী নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। তারা বর্তমানে অন্য জায়গায় বসবাস করছে। তিনি বলেন, ২৬ এপ্রিল ২০১৯ শুক্রবার আমাদের হরিসভা চলাকালীন আমাদের স্থানীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল এই নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন করে গেছেন। তিনি আমাদের আশ্বাস দিয়ে গেছেন খুব দ্রæত এখানে বাঁধ নির্মান করে দেবেন।

নদী সংলগ্ন বাসা কুমত চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী জয়ন্তী রায় জানান, তারা নিজ খরচে কোন রকমে বস্তা দিয়ে ভাঙ্গন টিকিয়ে রেখেছে। তাদের ঘরে ইতিমধ্যে ফাটল দেখা ধরেছে। তারা বলেন, এভাবে প্রতি বছর নদী ভাঙ্গতে থাকলে আমাদের মত এই পাড়ার নদীর পারের বাড়ী গুলো ভেঙ্গে গিয়ে এলাকা নদীতে পরিনত হবে।

এ ব্যাপারে নিজপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ খালেক বলেন, এলাকার বেশ কয়েকটি বসতভিটা ইতিমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বিগত বছরে। স্থানীয় এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল দাদাকে বিষয়টি জানিয়েছি। তার সুপারিশে পানি উন্নয়ন বোর্ডে আবেদন করা হয়েছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফইজুর রহমান জানান, এমপি মহোদয়ের সুপারিশে আমরা ওই এলাকাসহ এই ধরনের ২৭টি প্রকল্পের সকল কাগজ সম্পন্ন করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছি। যতসম্ভব সেখান থেকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে সেই প্রকল্প গেছে। প্রকল্প পাশ হলেই বাঁধ নির্মান করা হবে।

নদীর পাড়ে ভাঙ্গন রোধে খুব দ্রæত টেকসই বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর গভীরতা বাড়ানোর দাবী জানান দাসপাড়া গ্রামবাসী।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ