ঢাকা শুক্রবার, ১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে গোপালগঞ্জে মাছের পোনা অবমুক্তি, বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» মেহেরপুরে নান আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধন «» খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে মেহেরপুরে বিএনপি’র গণমিছিল «» জাতীয় মৎস্য সপ্তাহর উদ্বোধন মধুখালীতে «» মধুখালী উপজেলা পর্যায়ে ফাইনাল খেলার «» আধুনিক মানসম্মত এক্স-রে মেশিন টি আর ৫০০ এমএম এক্স-রে মেশিন চিকিৎসা সেবায় অবদান রাখবে প্রেসক্লাবের সভাপতি স্বরূপ বকসী বাচ্চু «» ভাঙ্গুড়ায় ছেলে ধরা আটক -২ «» বয়স্ক ভাতার টাকা তুলতে গিয়ে নারী আহত «» ডাকাত দলের দু’ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ «» সান্তাহারে কলেজ ছাত্রীকে উক্তত্য করার প্রতিবাদে মারপিট আহত-৩,আটক-১

মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি আকর্শন করেছেন

ফেসবুকের স্টাট্যাস হুবহু তুলে ধরা হল, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী মমতাময়ী জননী শেখ হাসিনা আপার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অযোগ্য শোভন ও রাব্বানি সহ নবাগত পূর্নাংগ বিতর্কিত কমিটি ভেঙ্গে নতুন করে ছাত্রলীগের সম্মেলনের ডেট দেয়া হোক।এই অভিশপ্ত পূর্নাংগ কমিটি থেকে বাংলাদেশের সকল ছাত্রলীগের নেতা কর্মিরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং লজ্জাও পেয়েছে।শোভন সভাপতি হওয়ার আগেই বিয়ে করেছে।তা মিডিয়াতে প্রকাশও পেয়েছে এটা সবার অজানা নয় । ওর বউ প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষিকা বলে জানা গেছে । জানা গেছে এখন আবার পূর্নাংগ কমিটিতে বিবাহিতরাই বেশি স্থান পেয়েছে। মানে রতনে রতন চেনে।গোলাম রাব্বানি সেতো একটা বাঁচাল।নিজেকে হিরো ভাবে।ভাবের চেয়ে ভঙ্গি বেশি। কাজের চেয়ে লেকচারে খুব ওস্তাদ।

দুজনেই আনফিট। ওদের নেতৃত্ব ও কর্ম কান্ড দেখে মনে হলো, ওরা দুইজনই ঢাকা সিটির যেকোন একটা ওয়ার্ডের সদস্য হওয়ারও যোগ্যতা রাখেনা। ওরা দুজনে এগারো মাস পরে কমিটি পূর্নাংগ করেছে যোগ্য ও ত্যাগীদের বাদ দিয়ে।কমিটি করেছে ঠিক আছে। তাও আবার হাবিজুবি বাজে একটা কমিটি। কয়েকজন বাদে- বিবাহিত,পিচ্চি,অযোগ্য,শিবির , বিএনপির ছত্রছায়ার পোলাপাইন দিয়ে কমিটি করেছে তাও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।আবার অনেকে আছে শিক্ষা শান্তি প্রগতির মানে কি তাও জানেনা সেটাও হয়তোবা প্রমানিত হবে বলে আশা করা যায়।যারা পূর্নাংগ কমিটিতে এসেছে ওদের কোনো দোষ দিচ্ছিনা।দিয়ে বা কিইবা লাভ! দোষতো শোভন ও রাব্বানির।এই সব পোলাপাইন কেমনে যে সভাপতি সাধারন সম্পাদক হইলো আমার বুঝে আসেনা, আবার মাথায়ও খিলেনা। কি বলবো!উপরে থু মারলে নিজের মুখেই পড়ে।

শোভন ও রাব্বানিকে অনতি বিলম্বে বহিস্কার করা হোক বলে অনেকেই ফেসবুকে লিখছে দেখলাম। কারন ছাড়াতো আর কেউ লেখেনা। অনেকে বলে ওরা জাতির জনকের ছাত্রলীগকে প্রশ্ন বিদ্ধ করছে। প্রশ্নবিদ্ধ করেছে জন নেত্রী শেখ হাসিনা আপাকেও।শিখছে একটা ডায়ালগ-ওরা নাকি আপার ছাত্রলীগ। আর আমরা বাকি সব বিএনপি জামাতের ছাত্রলীগ এবং ডেঊ টিন।মাঝে মধ্যে রক্ত গরম হয়ে যায়। কিছু কইতেও পারিনা আবার সইতেও পারিনা।আপার ছাত্রলীগ-ছাত্রলীগ বলে ডায়ালগ মারে ওরা -ওয়ান ইলেভেনে কই ছিলেন আপনেরা?

আমি ২০০৪ সাল থেকে ছাত্রলীগ করি। বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা আপার আদর্শ বুকে ধারন করে চলার চেষ্টা করেছি প্রতিনিয়ত। আমি এমন একজন নেতা ভিষন অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও উন্নত চিকিৎসায় হিমসিম খেতে হচ্ছে অর্থের অভাবে।আর আপনেরা???কয়েক শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যাবেন দুরুত। হয়েও গেছেন কিনা কে জানে।আল্লাহর কসম দিয়ে বলতে পারি শেখ হাসিনা আপার কোনো বদনাম ও ক্ষতি আমার দ্বারা এ জীবনে কোনো দিনও হয়নাই।এবং জীবন থাকতেও আল্লাহর রহমতে হবেওনা বলে গ্রান্টি দিতে পারি ১০০%। আর যদি মনের অজান্তে হয়েও যায় তাহলে ভেবে নিতে হবে আমি মানষিক রোগী।

শেখ হাসিনা আপাকে,আওয়ামীলীগকে ও বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগকে কেউ যদি প্রশ্নবিদ্ধ করে তাহলে আমি খুব কষ্ট পাই।বুক ফেটে মুশল ধারে বৃষ্টির মত অশ্রু ঝরে।আবার কোনো কোনো সময় রৌদ্রের উত্তপ্ত তাপে বুকের মধ্যিখানে মরুভূমি হয়ে যায়।প্রয়োজনে আপনেরা আমার জীবন নিয়ে নিন।তার বিনিময়ে হলেও মহৎ,মমতাময়ী, মানবিক,মানবতার ফেরিওয়ালা ও পরিবার পরিজন হারানো আমাদের নেতা শেখ হাসিনা আপাকে আপনেরা প্রশ্নবিদ্ধ করা থেকে বিরত থাকুন প্লীজ।ভাই আপনাদের পা দুটো ধরে মিনতি করি আপনারা শেখ হাসিনা আপার ক্লীন ইমেজটাকে নষ্ট কইরেন না। কারন,মানবতার ফেরিওয়ালা ও জনগনের সেবক শেখ হাসিনা আপা এখন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দ্বিতীয় প্রধান মন্ত্রী।তার সম্মান অনেক। তিনি আমাদের গর্ব,তিনি আমাদের অহংকার,তিনি আমাদের ভালবাসার এ-পিঠ,ও-পিঠ।পারলে এই বিতর্কিত কমিটি ভেঙ্গে পূনরায় সৎ,সাহসী,মেধাবী, যোগ্য ও ত্যাগীদের ভাল স্থানে স্থান করে দিন। তা যদি না পারেন তাহলে দুজনেই স্যালেন্ডার করে পদ থেকে সরে দাঁড়ান।ভাল থাকুক বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা আপার ছাত্রলীগ।আবারো শান্তি ফিরে আসুক বাংলাদেশ ছাত্রলীগে ঠিক আগেরি মতন। জয় বাংলা জয় বংগবন্ধু,জয় হোক মমতাময়ী জননী শেখ হাসিনা আপার ও বাংলার খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের।

বিনিত অনুরোধে- হৃদয়ে ক্ষত বিক্ষত হয়ে যাওয়া এক হতোভাগা

মাসুদ করিম,সাবেক সহ-সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,ঢাকা মহানগর উত্তর।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ