ঢাকা বুধবার, ২২শে মে, ২০১৯ ইং, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
ADD
শিরোনাম :

রাজবাড়ীর সাধারন মানুষের গলার কাটা ধাতব মুদ্রা ॥ ব্যাংকে নিতে অনিহা

রাজবাড়ী  ঃ রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট বাজারের ব্যবসায়ী, সাধারন মানুষের গলার কাটায় পরিনত হয়েছে ১,২ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা। স্থানীয় ব্যাংক গুলোও এ মুদ্রা নিতে অনিহা প্রকাশ করায় প্রতিনিয়ত বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটছে।
বালিয়াকান্দি উপজেলার প্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র নারুয়া, বহরপুর, বালিয়াকান্দি, সোনাপুর, রামদিয়া, জামালপুর, সমাধিনগরসহ অনেক ছোট বড় হাট বাজারের পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়ীক কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনিই গ্রামের প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলে কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীক কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য সকল শ্রেনীর ব্যবসায়ীকদের কোন না কোন ব্যাংকের সাথে লেনদেন করতে হয়। গ্রাম গঞ্জের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীক বেচা কেনার ক্ষেত্রে ১,২ও ৫টাকার ধাতব মুদ্রা নিতে হচ্ছে। এ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বাজারের পাইকারী মহাজনদের কাছে মালামাল ক্রয় করতে এসে পাইকারী মহাজনদের সাথে ধাতবমুদ্রা লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হতে দেখা যাচ্ছে। এমনও দেখা গেছে পাইকারী মহাজনের ঘরের বস্তায় ১,২ এবং ৫টাকার হাজার হাজার টাকা মুদ্রা অসল হয়ে পড়ে আছে যা কোন ব্যংাকে চালাতে পাছে না। আবার পাইকারী মহাজনদের নিকট জমাকৃত কাগজের ছোট ২ টাকা এবং ৫টাকার ধাতব মুদ্রা কোম্পানী বা ব্যাংকগুলি নিতে অপারগতা প্রকাশ করছে। একজন পাইকারী ব্যবসায়ীকের লেনদেনের ব্যাংক গুরুত্ব পুর্ন ভুমিকা পালন করে। সেই ব্যাংকই যদি ধাতব মুদ্রা নিতে অনিহা প্রকাশ করে তাহলে ব্যবসায়ীদের উপায় কি। সরকারী ভাবে ব্যাংকে ধাতব মুদ্রা নিতে নির্দেশ জারী করলেও স্থানীয় ব্যাংক গুলো তার কোন তোয়াক্কা করছে না। ক্ষুদ্র ও পাইকারী ব্যবসায়ীকদের ব্যবস্যা বানিজ্য অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
বহরপুর বাজারের ঔষুধ ব্যবসায়ী অমিত জানান, ব্যাংক শাখায় ৫ টাকার ধাতব মুদ্রা নিয়ে ব্যাংকে জমা দিতে গেলেও ব্যাংক থেকে তা না নিয়ে ফেরৎ পাঠায়। পরে পত্রিকায় প্রকাশিত খবর নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে দেখালেও কোন কর্ণপাত না করে বলে পত্রিকায় আসুক আর যে নির্দেশই আসুক আমরা ধাতব মুদ্রা নিতে পারবো না। সে জানায়, তার মত এরকম উপজেলার উপজেলার হাজার হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকের নিকট জমাকৃত ধাতবমুদ্রা গলার ফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। একরম অবস্থা চলতে থাকেলে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে বড় ধরনের ধ্বস নামার আশংকা রয়েছে।
রিয়াজ ও কাওছার নামের ২ যুবক জানায়, দীর্ঘদিন মাটির ব্যাংকে জমানো ১,২ও ৫ টাকার কয়েন নিয়ে বিপাকে পড়েছে কোথায়ও চালাতে পারছে না। আবার অেেনকই রাখার জায়গার অভাবে এবং প্রয়োজনের তাগিদে শতকার ১৫ হতে ২০ টাকা কমিশনে ওই মুদ্রা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ