ঢাকা বুধবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» তরকারী স্বাদ না হওয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা «» নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ভূমি বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা   «» ট্রাক থেকে ১২,৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক «» মেরিন ড্রাইভ সড়ক থেকে যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার «» দুই আদিবাসীকে শিক্ষা সহায়তা প্রদান করল মানবসেবা «» চট্টগ্রামের পতেঙ্গা লালদিয়া চরের উচ্ছেদকৃত মানুষের আহাজারীতে কাঁপছে আকাশ-বাতাস «» আইন হাতে তুলে নিয়ে নিজেদের অপরাধি বানাবেন না -পুলিশ সুপার «» পঞ্চগড়ে ভারতীয় সীমান্তে প্রবেশ কালে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ী আহত «» লামা উপজেলাধীন ফাইতং ইউনিয়নের  ইটভাটা মালিকদের অবৈধ পাহাড়  কাটা  «» চমেক হাসপাতালের আগুন এখন নিয়ন্ত্রনেঃ ক্ষয়ক্ষতি লক্ষাধিক টাকা

সাঘাটার ভরতখালী কাষ্ঠকালী মন্দিরে ঐতিহ্যবাহী মনোবাসনা পূরণের মেলা

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালীতে প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে মাসব্যাপী মনোবাসনা পূরণের মেলা। প্রতি বছর বৈশাখ মাস জুড়েই সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার চলে ঐতিহ্যবাহী এই মেলা। সনাতন ধর্মালম্বীদের বিশ্বাস পূজা অর্চনা ও বলি দান করলে মনোবাসনা পূরণ হয়। ভরতখালী কাষ্ঠকালী মন্দির এ অঞ্চলের হিন্দু ধর্মালম্বীদের তীর্থ স্থান হিসাবে ব্যাপক পরিচিত।
অতিত ইতিহাস থেকে জানা যায়, প্রায় দুইশ’ বছর আগে এ মন্দির নির্মিত হয়। তবে এই মন্দিরকে ঘিরে অলৌকিক একটি ঘটনা রয়েছে। তা হল যমুনা নদী থেকে ভেসে আসা একটি পোড়া কাঠ থেকে এই মন্দির সৃষ্টি হয়েছে। তৎকালীন জমিদার রমনী কান্ত রায় স্বপ্নাদেশ পান যে, আমি তো ঘাটে এসেছি, তুই আমাকে পূজা দে। রাজা এই পোড়া কাঠের টুকরোটিকে পূজা দিলে এখান থেকেই এটি কালী মূর্তিতে রূপান্তরিত হয়। তখন থেকে নিয়মিত পূজা অর্চনার ব্যবস্থা হয়ে ওঠে। কয়েক বছর আগে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী ভাঙ্গতে শুরু করে এবং এই মন্দিরের কাছে চলে আসে। এরপর এই মন্দিরের কাছ থেকে ভাঙ্গন বন্ধ হয়ে যায়। সেই হতে বছরে বৈশাখ মাস জুড়ে  এই মনোবাসনা পূর্ণমেলা বসে।
এ মেলায় পুণ্যার্থীদের পাশাপাশি ভীড় করেন হাজারো দর্শনাথী। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার নারী-পুরুষ মন্দিরে মানত নিয়ে আসেন। আর এই মানত মনোবাসনা পূরণের আশায় মন্দিরে ধূপ, মোমবাতি, আগরবাতি জালিয়ে তারা মায়ের (ঈশ্বর) কাছে প্রার্থণা করেন। মন্দিরের চারপাশে অনেকেই পাঠা (ছাগল) নিয়ে দাড়িয়ে থাকেন। মনোবাসনা পূরণের লক্ষে প্রার্থনা শেষে মন্দিরের গুরুর (ঠাকুর) নির্দেশ অনুযায়ী পাঠা (ছাগল) বলি দেওয়া হয় মায়ের পায়ের নিচে। এছাড়াও প্রার্থনা শেষে অনেকই আবার বিভিন্ন খাবার ও মিষ্টি বিতরণ করেন।
এ উপলক্ষে মন্দিরের পাশে পাকুর তলায় প্রায় ৭ একর এলাকাজুড়ে বসে গ্রামীণ মেলা। শুধু উত্তরাঞ্চলই নয় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার মানুষ ঘুরতে আসেন এখানে। মেলায় বাহারি খাবার, বাঁশের তৈরী কুলা, ডালি, চালন, মাটির তৈরি হাড়ি, থালা, বিভিন্ন মূর্তি, পুতুল, বাঘ, আম এবং নানা তৈজসপত্রের পসরা সাজিয়ে বসেন দোকানিরা।
শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ