ঢাকা রবিবার, ১৬ই জুন, ২০১৯ ইং, ২রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :

সেনবাগে বিয়ের প্রলোভান দিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ গ্রেফতার-২

জাহাঙ্গীর আলম, নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর সেনবাগে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে (১৫) বছরের এক কিশোরীকে একাধিক সময় ধর্ষণের অভিযোগে উপজেলার কেশারপাড় ইউপির উন্দানিয়া গ্রামের এমাম হোসেনের ছেলে আজিজুল ইসলাম রাজু (২৭) ও বীরকোট গ্রামে ইসমাইল হোসেনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম হৃদয় (২৩) নামেরে দুই ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে সেনবাগ থানা পুলিশ।
এঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় দুই জনকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা নং ১৯ দায়ের করেছে ধষিতা নিজে। সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল আলী পাটোয়ারীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেফতার করে। পুলিশ বুধবার দুপুরে দুই ধর্ষককে নোয়াখালীর বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন ও ধষিতার ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
ভিকটিম জানান, কয়েক মাস আগে কানকিরহাট বাজারের ফল দোকানদার রাজুর কাছ থেকে ফল কিনতে গিয়ে পরিচয় হয়। ওইদিন থেকে তাদের মন দেওয়া নেওয়া শুরু হয়। একমাস আগে রাজু তাকে বিয়ের প্রলবান দিয়ে বাজারে ডেকে নিয়ে কানকিরহাট কমিউনিটি সেন্টারে জোর প‚র্বক রাজু ও হৃদয় ধর্ষণ করে। এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয়রা শালিস বৈঠক করে ঘটনার সাথে জড়িত ধর্ষকদের ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করলেও তা কার্যকর হয়নি।
২১ এপ্রিল শবেবরাতের দিন রাত দেড়টায় ধর্ষক রাজু ভিকটিমের মানিকপুরের বসতঘরের দরজা ঠেলে ঢুকে পড়ে। এ সময় ভিকটিমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে রাজুকে আটক করে থানায় খবর দিলে সেনবাগ থানার এএসআই নাসির ভিকটিম ও ধর্ষক রাজুকে সেনবাগ থানায় নিয়ে আসেন। ধর্ষক রাজুর আরো একটি সংসার রয়েছে। নানা নাটকিয়তায় পর পুলিশ বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নির্দেশে অবশেষে থানায় মামলা হয়। বুধবার বিকেলে সেনবাগ থানার ওসি মিজানুর রহমান দু ধর্ষককে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ