ঢাকা রবিবার, ২১শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৬ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» দিনাজপুর দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের বিশেষ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত «» দিনাজপুরে শীঘ্রই পাইপ লাইনে গ্যাস আসছে «» দিনাজপুর শহরের প্রান কেন্দ্রে ৪০ কোটি টাকার সরকারী সম্পত্তি দখল «» নতুন নিয়োগ পাওয়া ২০ পুলিশকে ফুলদিয়ে বরণ করলেন সেনবাগ থানার ওসি মিজানুর রহমান «» সৈয়দপুরে মৎস্য সপ্তাহ চলাকালেই নিষিদ্ধ পিরানহা মাছে সয়লাব বাজার «» অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে ৩ জনের বিনাশ্রম কারাদন্ড «» কুড়িগ্রামের মোগলবাসা ইউনিয়নে বন্যাদূর্গতদের মাঝে রান্না করা খাবার ও চাল বিতরণ «» জাতীয় সাংবাদিক ক্লাবের সদস্য মিতু মেহজাবিন লাঞ্ছিত॥ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ «» আমি নিজে শ্রমিক এবং শ্রমিক আমার স্বপ্ন- এ্যাড: শিমুল বিশ্বাস «» পঞ্চগড়ে মাদক বিরোধী শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

 তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখ এবং চাঁদ দেখে ইফতার কর (প্রথম দিন)

                                মাওলানা : মো : রায়হানূর রহমান

পৃথিবীতে দু’ধরণের বর্ষপঞ্জি প্রচলিত আছে, সৌরবর্ষ ও চন্দ্রবর্ষ । সূর্যের উদয়স্থল ও সময়ের পার্থক্যের কারণে নির্ধারণ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা। এর একপার্শে¦ রাত হলে অন্য পাশের্^ দিন, কোথাও সকাল দশটা হলে অন্যপাশের্^ রাত দাশটা। বিশে^র সকলেই এই নিয়ম মেনে চলছেন। তাহলে চাঁদের উদয়-অস্তের ভিন্নতা মেনে নিতে অসুবিধা কোথায় ? কেন সৌদি আরবের সাথে মিল করে সারা বিশে^ একই দিনে সাওম পালন বা ইফতার করতে হবে ? তারা যখন সাহরি খায় আমরা তখন সাহরি খেলে কী রোজা হবে ? তাদের সাথে কি আমরা ইফতার করতে পারব ? তাই চাঁদ নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে যখন যে দেশে চাঁদ দেখা যাবে তখন তারা রোজা ও ঈদ পালন করবে এটাই স¦াভাবিক। আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে । নবী (সা) বলেছেন, তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখ এবং চাঁদ দেখে ইফতার কর (রোজা শেষ কর) । তবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে শা’বানের তারিখ ত্রিশদিন পূর্ণ কর। (বুখারি : ১৮৭১, মুসলিম : ২৩৮৫, নাসাঈ : ২১২৩)। তাই বলা যায় এক দেশের চাঁদ দেখা অন্য দেশের লোকদের জন্য প্রযোজ্য হবে না : কুরায়ব রঃ বলেন, আমি সিরিয়ায় জুমআর দিন রমজানের চাঁদ দেখলাম (এবং রোজা রাখতে শুরু করলাম)। রমজানের শেষভাগে আমি মদিনায় আসলাম । আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) আমার সাথে চাঁদ দেখার বিষয়ে আলোচনা করলেন । আমি বললাম, আমরা তো (সিরিয়ায়) জুমআর দিন চাঁদ দেখেছি । মুআবিয়া (রাঃ) সহ লোকেরা সে অনুযায়ী সিয়াম পালন করছে ।  তিনি বললেন, আমরা তো শনিবারে চাঁদ দেখেছি । আমরা সিয়াম পালন করতে থাকব, শেষ পর্যন্ত ত্রিশদিন পূর্ণ করব অথবা চাঁদ দেখব । আমি বললাম, মুআবিয়া (রাঃ)  এর চাঁদ দেখা কি আপনার জন্য যথেষ্ঠ নয় ? তিনি বললেন না, যথেষ্ঠ নয় । কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে এভাবেই আমল করতে বলেছেন । (মুসলিম : ২৩৯৯, নাসাঈ : ২১১০, তিরমিযি : ৬৯৩,  ইমাম তিরমিযি বলেন, আলেমগণ এ হাদিস অনুসারে আমল করেছেন । তাদের মতে প্রত্যেক অঞ্চলের লোকদের জন্য তাদের চন্দ্র দর্শনই ধর্তব্য হবে । সুনানে তিরমিযি, আরবি : ১৪৯ পৃষ্ঠা) । চাঁদ দেখার ব্যাপারে দু’জন বিশ্বস্ত লোকের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য : একবার শাওয়ালের চাঁদ দেখার ব্যাপারে সাহাবাদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিল । তখন দু’জন বেদুঈন এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আল্লাহর নামে কসম করে সাক্ষ্য দিল যে, তারা গত সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখেছে । তখন রাসূলুল্লাহ (সা) লোকদেরকে রোজা ভাঙ্গার নির্দেশ দেন এবং আগামী দিনে ঈদগাহে এসে ঈদের নামাযে অংশ নিতে বলেন । (আবু দাউদ : ২৩৩৮) । আব্দুর রহমান ইবনে যায়দ (রাঃ)  সূত্রে । রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন, তোমাদের দু’জন লোক চাঁদ দেখার ব্যাপারে সাক্ষী দিলে তোমরা তা গ্রহণ করবে এবং রোজা পালন করবে বা ভঙ্গ করবে ।  (নাসাঈ : ২১১৫) ।

মাওলানা : মো : রায়হানূর রহমান

সহকারী শিক্ষক : এ.পি.বিএন. পাবলিক স্কুল ও কলেজ , বগুড়া সদর, বগুড়া।

মোবা : ০১৭৩৯-৮৫০৬৫৬,    gmail : rrahman.rr75@gmail.com 

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ