ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭শে জুন, ২০১৯ ইং, ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী লীগের বিশেষ প্রকাশনা বই প্রদান «» দেবহাটায় ছাত্রলীগের দুই গ্রæপের মধ্যে সংঘর্ষ ধাওয়া-পালটা ধাওয়া: আহত-২ «» ঝিনাইদহে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী «» হিন্দু ধর্মীয় প্রাইভেট শিক্ষককে গ্রেফতার «» ঝিনাইদহে শিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধে করনীয় বিষয়ক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা «» কুড়িগ্রামে মাদক ও পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত «» দিনাজপুরে স্তন ও জরায়ূ ক্যান্সার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত «» হাবিপ্রবি’তে ভিশন ও মিশন চূড়ান্তকরণ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত «» দিনাজপুরে মাদক নির্মুলের জন্য প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে সচেতনতা জাগ্রত করতে হবে «» ফুলবাড়ী পুলিশের হাতে ৭৫ পিচ ফেন্সিডিল সহ আটক ২

মাগুরার শালিখার চুকিনগরে ঐতিহাসিক গঙ্গাস্নান সম্পন্ন

মাগুরা প্রতিনিধি\ মাগুরার শালিখা উপজেলার চুকিনগর-টিলাঘাটে গঙ্গাস্নান ও গঙ্গা পূঁজা বুধবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী লাখো মানুষের উচ্ছে পড়া ভীড়। অতি প্রাচীনকাল থেকে এখানে মহা ধূমধামের সঙ্গে এ অনুষ্ঠানটি চলে আসছে । সনাতন শাস্ত্রীয় মতে জামাই ষষ্ঠীর পরবর্তী দশহরা তিথি যোগে পবিত্র গঙ্গাস্নান অনুষ্ঠিত হয়। সনাতন মতে কলি যুগের মানুষের পাপ মোচনের উৎকৃষ্ট ধর্মীয় কৃষ্টি এই গঙ্গাস্নান। এদিন ভোর ৪টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এই গঙ্গার পূঁজা, স্নান ও মেলা। সরেজমিনে দেখা গেছে- দূর দুরান্ত থেকে আসা পূঁজা দর্শনার্থীরা ফুল, বেলপাতা, লবণ, চিনি, ডাব, গাব ইত্যাদি হাতে নিয়ে জলে নামছেন স্নান করতে। পাপ মোচন, শারিরীক সুস্থতা, সাংসারিক শান্তি ও উন্নতি এবং নানা রকম রোগমুক্তির কামনায় লোকের ভিড়ে ঘোলা হয়ে যাওয়া জলের মধ্যে ডুব দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছেন হাতের মুঠোয় ভরে রাখা সেই সব অর্ঘ্য। গরম উপেক্ষা করে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে এসে এ মেলায় যোগ দিচ্ছেন দর্শনার্থী ও ভক্তগণ। যশোরের ঝিকরগাছা থেকে আসা একজন দর্শনার্থীর কাছে জানতে চাইলে বললেন, মুরুব্বীদের মুখে শুনেছি পশ্চিমবঙ্গের নবদ্বীপ ধাম আর এই টিলাঘাটের ধাম মা গঙ্গার আদিধাম। অতি প্রাচীনকালের এই তিথির এক রাতে এই ২ জায়গাতেই স্বয়ং দেবতারাই পূণ্যস্থান বলে জাগ্রত ও প্রচার করতে চেয়ে ছিলেন। কিন্তু কোন কারণে এখানকার কাজটি শেষ হওয়ার আগেই রাত ভোর হয়ে গিয়েছিল। তাই দৃশ্যতঃ এখানে পূর্ণ তীর্থস্থান হয়নি। তবে এটাও নবদ্বীপের মতোই পূর্ণ তীর্থস্থান, এতে কোন সন্দেহ নেই। হ্যাঁ, দর্শনার্থীর এ কথাটি অত্র এলকার মানুষের মুখে সচরাচর শোনা যায়। তাছাড়া সেই রাতে যে দালান কোঠা বা মন্দির তৈরির জন্য ইটের গাঁথনি তৈরি করছিলেন, তার ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে মেলার বিপরীত পাড়ে। তার খানিক দূরে আছে ভাতভিটা ঢিবি। বলা হয় রাতে দেবদেবীরা এখানে রান্না করে সব ভাত এখানে ঢেলেছিলেন। সেই ভাত থেকে মাড় ঝরে ফটকীতে পড়েছিল। সেখানে তৈরি হয়েছিল একটি খাল। সে খালটি একনও বর্তমান আছে। আঞ্চলিক ভাষায় এখানকার লোকেরা ভাতের মাড়কে ফ্যান বলে। সেই নামানুসারে খালটির নাম করণ করা হয় ‘ফ্যানশা’র খাল। ভাতভিটা ঢিবিটি এখন প্রতœতত্ত্ব বিভাগের আওতায় আছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ