ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০শে জুন, ২০১৯ ইং, ৬ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :

গাইবন্ধায় জেলা বিএনপি’র জেলা প্রশাসককে স্বারক লিপি প্রদান

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ কৃষকের ধানের লাভজনক দাম দাও, কৃষকের সন্তানের শিক্ষা জীবন নির্বিঘ্নে শেষ করার সুযোগ দাও এই স্লোগানের দাবিতে -ব্যানার নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্ষালয়ের সামনে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় গাইবন্ধা জেলা বিএনপির জেলা প্রশাসককে স্বারক লিপি প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ ময়নুল হাসান সাদিকের সভাপতিত্বে স্বারকলিপি প্রদানের পূর্ব মহুত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মাহামুদুননবী টিটুল,জেলা বিএনপির সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান, ছামছুল হাসান ছামছুল, যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন,সহ সাধারন সম্পাদক আব্দুস ছালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছুর রহমান নাদিম,বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম রাজা,সেললু, জেলা বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক মোস্তফা,মহিলা নেত্রী মুনমুন,জেলা যুবদলের সভাপতি রাগীব হাসান চেীধারী সহ সভাপতি মোশফেকুর রহমান রিপন, সহ সাংগঠনিক আল আমিন,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক শাহ জালাল খোকন,গোবিন্দগঞ্জে উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক,জাকিরুল ইসলাম, যুব নেতা দুখু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যে ধান উৎপাদন করে সেই ধান বিক্রী করে উৎপাদন খরচও ওঠে না। বর্তমানে ধান মন প্রতি ৪২০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের। ১কেজি ধানের দামে ১টি একটি কলাও পাওয়া যায় না।
বক্তারা আরও বলেন, এক বিঘা জমির পাঁকা ধান কাঁটতে পাঁচ হাজার টাকা খরচ হয়। সরকারের দেয়া রেটে সকল কৃষক সরকারি গুদামে ধান দিতে পারে না। শাসক দলের নেতাদের কাছে ধানের স্লিপ দেয়া হয়। কৃষি ও কৃষক বাঁচাতে কৃষি ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। হাটে হাটে ক্রয় কেন্দ্র খুলে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় করারও দাবি জানান। বাংলাদেশের ৮০ ভাগ ছাত্রের শিক্ষার ব্যয় যেহেতু কৃষি হতে আসে সে কারণে শিক্ষা জীবন বাঁচাতে কৃষক বাঁচা প্রয়োজন। কৃষকের নামে দায়েরকৃত সার্টিফিকেট মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান বক্তারা।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ