ঢাকা বুধবার, ২২শে মে, ২০১৯ ইং, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
ADD
শিরোনাম :

কুলাউড়ায় ১৪ বছর পাড় করলেন সরকারী কর্মকর্তা! ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

মৌলভীবাজার অফিস: কুলাউড়া উপজেলায় একজন সরকারী কর্মকতা ৩ বছরের অধিক থাকার কোন নিয়ম বা সুযোগ নেই। কিন্তু নিয়মের তুয়াক্কা না করে প্রায় ১৪ বছর যাবত বিভিন্ন অনিয়মের কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছিলেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী (চঃ দাঃ) মো. আব্দুর রাকিব।
জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলায় ২০০৫ সালে যোগদান করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (চঃ দাঃ) মো. আব্দুর রাকিব। এর পর থেকে বিভিন্ন অনিয়ম কর্মকান্ড পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এত অনিয়ম করার পরও এক উপজেলায় ১৪ বছর কিভাবে থাকেন এ কর্মকর্তা! তবে বিভিন্ন সময় তাঁর বদলি আদেশ আসলে নানা কৌশলে স্থগিত করে দিতেন এ অসাধু কর্মকর্তা। চলতি বছরে এপ্রিল মাসে স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর তাহার সকল অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে কুলাউড়া থেকে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় বদলি করেন। কিন্তু ওই কর্মমর্তা বাহুবলে যোগদান না করে কৌশলে কুলাউড়া উপজেলার পাশাপাশি থাকার জন্য কমলগঞ্জ উপজেলায় বদলি হয়ে এসে যোগদান করেন।
অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার বিভাগের অধিনে উপজেলার ও ইউনিয়ন পর্যায়ে নতুন বাড়ী, দালান নিমাণে ও পূর্ণ নিমার্ণে এবং বিপদজনক ভবন চিি এবং নকশা অনুমোদন ও ভবনের গুনগতমান নিশ্চিত করবেন কমিটি’র সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা প্রকৌশলী (এল জে ই ডি), সংশ্লষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর প্রতিনিধি,ইনস্টিটিউট অব আর্ক্টিটেস বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানারস এর প্রতিনিধি, ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াস এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি।
অতচ কুলাউড়া উপ-সহকারী প্রকৌশলী (চঃ দাঃ) মো. আব্দুর রাকিব সকল প্রকার ভবন কি করে নকশা, পূর্ণ নির্মাণে ও বিপদজনক স্থাপনার অনুমোদন দিয়ে আসছে। তবে এর বাহিরে দায়িত্বপাপ্তগন যদি না থাকে তবে সেখানে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ রয়েছে সহকারী প্রকৌশলী ও উপসহকারী প্রকৌশলীর। কুলাউড়ায় দায়িত্বরত কর্মকর্তা থাকার পরও কিভাবে অনুমোদন করে থাকেন এ কর্মকর্তা।
কুলাউড়া উপজেলার কয়েক জন ভুক্তভোগী জানান, আমরা তো জানিনা সহকারী প্রকৌশলী কে। মো. আব্দুর রাকিব আমাদের কাছে সহকারী প্রকৌশলী পরিচয় দিয়ে গুনগতমান অনুমোদন করে থাকতেন।
এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল হক বলেন, দায়িত্বরত কমকর্তা আমি যদি উপজেলা পরিষদ কমিটি মনে করেন আমার চাইতে অন্য কেউ ভালো তবে তা পরিষদের বিষয়। এখানে আমার কোন হস্তক্ষেপ থাকার প্রশ্নই উঠেনা।
সহকারী প্রকৌশলী (চঃ দাঃ) মো. আব্দুর রাকিব এ অভিযোগের কথা অস্বিকার করে বলেন, আমি এ ধরণের কোন কাজ করিনি, এ কাজের অনুমোদন দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি দিয়ে থাকেন। তাছাড়া আমি এখন কমলগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ