ঢাকা বুধবার, ২৪শে জুলাই, ২০১৯ ইং, ৯ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
basic-bank
শিরোনাম :
«» ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সার্টিফিকেট জালিয়াতি মামলায় গ্রেফতার দুই «» ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের পর এবার ডাকবাংলায় ২৫ টাকার ঔষুধ ৬শ টাকায় বিক্রি, জরিমানা আদায় «» ঝিনাইদহের বৈডাঙ্গায় গুজবে কান না দেওয়ার জন্য ঝিনাইদহ থানা পুলিশের উদ্যোগে গণ-সচেতনামূলক সভা অনুষ্ঠিত «» ঝিনাইদহে পুকুর ডোবায় নেই পানি, পানির অভাবে পাট জাগ দিতে মহাবিপাকে পাটচাষীরা «» ঝিনাইদহে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কসাসের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত «» ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামানের নির্দেশে ও শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ বজলুর রহমানের নেতৃত্বে গুজব বন্ধে শৈলকুপায় পুলিশের প্রচারাভিযান শুরু «» দিনাজপুরে পাবলিক সার্ভি দিবসে বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত «» মাছের চাষে ভরপুর জেলা মোদের দিনাজপুর «» ফুলবাড়ীতে পাবলিক সার্ভিস দিবস পালনে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত «» ফুলবাড়ীতে টিউশনির অর্থে শিক্ষার্থীকে পাঠ্যবই প্রদান

কাঁঠাল খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে

মিষ্টি গন্ধ ও স্বাদে ভরপুর ফলটির নাম কাঁঠাল। কাঁঠাল কার্বোহাইড্রেটের একটি অন্যতম উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল থেকে ৪৮ কিলোক্যালরি, কাঁচা কাঁঠাল থেকে ৫৩ কিলোক্যালরি এবং কাঁঠালের বীজ থেকে ১৩০ কিলোক্যালরি পরিমাণ শক্তি পাওয়া যায়। কাঁঠাল অপুষ্টিজনিত সমস্যা রাতকানা এবং রাতকানা থেকে অন্ধত্ব প্রতিরোধ করার জন্য খুবই উপযোগী ফল। এর রয়েছে আরও অনেক উপকারিতা। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

কাঁঠাল পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস। ১০০ গ্রাম কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ ৩০৩ মিলিগ্রাম। যারা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্যে কাঁঠালে উচ্চ রক্ত চাপের উপশম হয়। কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল খাওয়ার কারণে ওজন বৃদ্ধির আশংকা কম।

কাঁঠালের অন্যতম উপযোগিতা হল ভিটামিন সি। প্রাকৃতিকভাবে মানবদেহে ভিটামিন সি তৈরি হয় না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে ভিটামিন সি। কাঁঠালে বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।

কাঁঠালে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রির্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদেরকে সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

দুশ্চিন্তা এবং নার্ভাসনেস কমাতে কাঁঠাল বেশ কার্যকরী। বদহজমও রোধ করে কাঁঠাল।

কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ যা রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এর ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়ামের মতো হাড়ের গঠন ও হাড় শক্তিশালী করণে ভূমিকা পালন করে।

কাঁঠালে আছে ভিটামিন বি৬ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। কাঁঠালে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম কেবল হাড়ের জন্য উপকারী নয় রক্ত সংকোচন প্রক্রিয়া সমাধানেও ভূমিকা রাখে।

ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয়। অন্যদিকে তার প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।

প্রতিদিন ২০০ গ্রাম পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী মহিলা ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়। কাঁঠাল খেলে তার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করে এই মিষ্টি ফলটি।

কাঁঠালে রয়েছে খনিজ উপাদান আয়রন যা দেহের রক্তস্বল্পতা দূর করে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের।
ঘোষনাঃ